সেকেন্ড টাইমার সবাই হতে পারে না.....
যাদের প্রচুর ধৈর্য্য আছে এবং মানসিকভাবে শক্ত...... তারাই সেকেন্ড টাইমার হতে পারে।
.
পৃথিবীতে সব কিছুতেই তুমি সেকেন্ড চান্স পাবা না.....যেহেতু এখন সুযোগ পাচ্ছো,যতটুকুই পাও না কেনো,এর সর্বোত্তম ব্যাবহার কর। প্রয়োজনে এক বিষয়ের একাধিক বই পড়তে পারো, ভালো কোন কোচিং এর দিকনির্দেশনাও তোমাকে অন্যদের থেকে এগিয়ে নিবে।
.
সবসময় মনে রাখা উচিৎ , "প্রশিক্ষণ যত কঠিন হয়, রণক্ষেত্রে যুদ্ধ তত সহজ হয়।"
.
মন থেকে চাইলে আর সর্বোচ্চ পরিশ্রম/চেষ্টা করলে অবশ্যই সফল হবে। সেকেন্ড টাইমারদের নিজের প্রতি কনফিডেন্স আস্তে আস্তে বেড়ে যায়। তাছাড়া চাকুরির পড়াশোনা ও হয়ে যায় অনেকটা এই সেকেন্ড টাইমের প্রিপারেশন এর মাধ্যমে। সেকেন্ড টাইমের প্রিপারেশন এর জন্য মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিভাগ পরিবর্তন করা বিজ্ঞান বিভাগের স্টুডেন্ট দের যেমন বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান, IQ, সাধারণ গণিত পড়তে হবে ; আবার সেগুলোই পড়তে হবে তোমাকে চাকুরির জন্য। সুতরাং, বুঝতেই পারছো সেকেন্ড টাইমের প্রিপারেশন নেয়া মানেই " ডাবল লাভ "।
.
যারা ফেইল করে না তাদের এক্সপেরিয়েন্স কম হয়, তুমি চান্স পাওনি! সারারাত মোবাইল টিপছো,সারাদিন ঘুরে বেড়াইছো বা অন্য কোনো কাজে টাইম ওয়েস্ট করেছো, তাই তুমি এখন বুঝে নিয়েছো এইসব কাজ না করলে সফলতা আসতো
, তাই সেকেন্ড টাইমে এগুলো না করার চেষ্টা করবে।
.
কিন্তু যে আতেল সারাদিন পড়ে চান্স পেয়েছে সে কিন্তু এইসব করেনি,অর্থ্যাৎ সে কিন্তু অনেক বিষয় জানেনা যা করলে তার ক্ষতি হতে পারে। অভিজ্ঞতা কম যাকে বলে। লাইফের কোনো না কোনো জায়গায় গিয়ে সে সিউর হোচট খাবে, তখন দেখা যাচ্ছে উঠে দাড়ানোর মত পরিস্থিতি নাও থাকতে পারে।
তাই যত বেশি তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হবে, ফিউচারে তত বেশি সফলতা পাবার নিশ্চয়তা পাবে। আর শুনে বা দেখে অভিজ্ঞতা বাড়ানোর চেয়ে নিজে খারাপ কিছুর শিকার হলে সেই জিনিস মস্তিকে বেশি ইফেক্ট ফেলে। তাই পরিশ্রম করে যাও, সফলতা অবশ্যই আসবে।
No comments